You are currently viewing রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কেনার সুবিধাগুলো কি কি?

রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কেনার সুবিধাগুলো কি কি?

আপনি যদি আপনার দক্ষতা, গুণাবলী কিংবা অভিজ্ঞতাগুলো সুশৃঙ্খল এবং সুবিন্যস্তভাবে তুলে ধরতে চান তবে একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরী। চাকুরি কিংবা ফ্রিল্যান্সিং যেকোনো ক্ষেত্রেই নিয়োগকারী কিংবা বায়ারদের কাছে আপনার পূর্ববর্তী কাজের ধরন, প্রক্রিয়া, ফলাফল কিংবা পারদর্শীতা উপস্থাপন করতে একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটের বিকল্প নেই। সিভি বা রিজিউমে সাধারণত আপনার কর্মক্ষেত্র, পরিধি ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ থাকলেও কাজ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া যায় না। কিন্তু এই ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে আপনি ইতোপূর্বে যেসব ক্ষেত্রে, যেসব বিষয়ে কাজ করেছেন সেগুলো ভিজ্যুয়ালভাবে উপস্থাপন করা যায়। যা বায়ার কিংবা নিয়োগকারীকে আপনার কাজের মান বুঝাতে সহায়ক। সাধারণত কাজের ক্ষেত্র কিংবা পেশা অনুযায়ী পোর্টফোলিও এর ধরনেও ভিন্নতা দেখা যায়। কিছু কিছু কাজের জন্য অনেকক্ষেত্রে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট, এক্সেল শীট, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি ফরম্যাটে পোর্টফোলিও বানানোও সম্ভব। তবে পেশাদারিত্ব বুঝাতে এবং নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করতে এর বিকল্প নেই। 

গ্রাফিক ডিজাইন, অ্যানিমেশন ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, থ্রিডি অ্যানিমেশন, থ্রিডি আর্ট, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, মেকাপ আর্ট, রাইটিং ইত্যাদি কাজের সাথে সংশ্লিষ্টদের জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকা অত্যাবশ্যকই বলা চলে। এছাড়াও আপনি একাধিক বিষয়ে পারদর্শী হতেই পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি সব বিষয়ের সমন্বয়ে আপনার কার্যক্রম উপস্থাপন করতে পারেন পোর্টফোলিও সাইটের মাধ্যমে। তাই উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বুঝতেই পারছেন, একটি তথ্যবহুল সুবিন্যস্ত এবং আকর্ষণীয় পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট আপনার জন্য কতটা জরুরী। এক্ষেত্রে এটি তৈরী ঝামেলাযুক্ত কাজ মনে হতে পারে। আসলেই তাই, আপনি যদি নিজে প্রোগ্রামিং না জানেন কিংবা সব কিছু ঠিকঠাক ভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন কি না এ নিয়ে সন্দিহান থাকেন তবে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট আপনার জন্য দুঃসাধ্য ব্যাপার বটে। 

তবে এক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আপনি রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে আপনার বুঝার সুবিধার্থে সংক্ষেপে যদি বলি, রেডি ওয়েবসাইট হচ্ছে ডেভেলপার কতৃক তৈরীকৃত ওয়েবসাইট, যা নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করে আউটলুক সহ নানাবিধ বিষয়ে পরিবর্তন এনে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। নিউজ পোর্টাল ওয়েবসাইট, ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর পাশাপাশি খুবই সুন্দর সুবিন্যস্ত রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটও বিক্রয় করা হয়। আর আপনার ওয়েবসাইটটি আপনি YappoBD থেকে একদম নিশ্চিন্তেই নিতে পারেন। রেডি ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আমাদের YappoBD এর ব্লগ সেকশনে পেয়ে যাবেন। এছাড়াও এর সুবিধাগুলো কি কিংবা রেডি ওয়েবসাইট কেনার  পূর্বে কি কি বিষয় যাচাই-বাছাই করে নিতে হয় এসব বিষয় সুন্দরভাবে বর্ণনা করা আছে পূর্ববর্তী লেখাগুলোতে। 

রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কেনার সুবিধাগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ  

সময় এবং অর্থ সাশ্রয়ী 

রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট আপনার সময় এবং অর্থ দুটোই বাচাতে পারে। প্রথমত একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এছাড়াও আপনি যদি কোডিং করতে না জানেন, তবে অবশ্যই আপনাকে কোনো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কিংবা লোকাল মার্কেটপ্লেস থেকে ওয়েব ডেভেলপার খুঁজে পোর্টফোলিওটি ডেভেলপ করতে হবে। সেক্ষেত্রে বেশ ভাল পরিমাণ অর্থেরও প্রয়োজন হবে। পক্ষান্তরে রেডিমেড পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট দামেও কম। ফলে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আপনি নির্বিঘ্নে একটি গোছানো পোর্টফোলিও পেয়ে যাবেন। 

সামঞ্জস্যপূর্ণ পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট 

আমরা ইতোপূর্বেই জেনেছি যে, আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে ভিন্নতা দেখা যাবে। সেক্ষেত্রে বুঝতেই পারছেন, একজন ভিডিওগ্রাফার এর পোর্টফোলিও আর একজন কন্টেন্ট রাইটার এর পোর্টফোলিও অবশ্যই এক হবে নাহ। কাজের ক্ষেত্র যেহেতু আলাদা তাই পোর্টফোলিও এর উপস্থাপনাটাও থাকবে আলাদা। লে-আউট, পেইজ, হেডার, ফুটার সহ সেকশন বা অন্যান্য যাবতীয় সব কিছুতেই থাকবে পরিবর্তন। আবার আপনি যদি একাধিক বিষয়ে পারদর্শী হন, সেক্ষেত্রেও আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটের ধরনে ভিন্নতা থাকবে। কিন্তু আপনি যদি একটি রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ক্রয় করেন, তবে এত সব বিষয়ের মুখাপেক্ষী আপনাকে হতে হবে নাহ। আপনি শুধু আপনার পছন্দসই এবং আপনার জন্য উপযোগী পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটি বেঁছে নিতে পারলেই চলবে।

সুশৃঙ্খল এবং সুবিন্যস্ত

আমরা ইতোপূর্বেই জেনেছি যে, আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটির উদ্দেশ্য হচ্ছে, আপনি এবং আপনার কাজ সম্পর্কিত তথ্য যেন নিয়োগকারী কিংবা বায়াররা সুশৃঙ্খলভাবে পায়। সেক্ষেত্রে আপনাকে রিজিউম, বায়ো, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি তথ্য সুবিন্যস্ত করে সাজাতে হবে। এবং প্রত্যেকটি বিষয়ের মধ্যে সামঞ্জস্যতা রাখতে হবে। অর্থাৎ বিশৃঙ্খলতা যেন না থাকে সে ব্যাপারটি খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ক্লায়েন্টরা যেন খুব সহজেই কন্টেন্ট এর তালিকা বা সূচীপত্র ন্যাভিগেশন করতে পারে সে ব্যাপারটিও খেয়াল রাখতে হবে। এতসব ব্যাপার বিবেচনায় এনে একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরী কিন্তু বেশ কষ্টসাধ্য কাজই বটে। তবে আপনার চাকুরী কিংবা কাজ হাতছাড়া না করতে চাইলে তো অবশ্যই আপনার সুবিন্যস্ত একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকতেও হবে। সেক্ষেত্রে আপনার এই সমস্যা সমাধান দিবে রেডি ওয়েবসাইট। এতে উপরোক্ত সব বিষয়গুলোই সুন্দরভাবে বিন্যস্ত করা থাকবে। যা আপনি চাইলে পরবর্তীতে পরিবর্তনও করে নিতে পারবেন। 

কাস্টমাইজ পোর্টফোলিও 

রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কেনার অন্যতম প্রধান সুবিধা হচ্ছে ওয়েবসাইটটি কাস্টমাইজ করা থাকে। লে-আউট সহ বিভিন্ন বিষয় দেখেশুনে বুঝে কিনতে পারছেন। এবং আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী আপনার জন্য উপযোগী ওয়েবসাইটটি বাছাই করে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। আপনার সামগ্রিক কাজের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনই হলো পোর্টফোলিও। সেক্ষেত্রে আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিকে অবশ্যই আকর্ষণীয় এবং দৃষ্টিনন্দিতভাবে উপস্থাপন করতে হবে। আপনার ব্যক্তিত্ব, কাজের ধরন এবং ধারাবাহিকতার সমন্বয়ও থাকতে হবে ওয়েবসাইটটিতে। এক্ষেত্রে রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে আপনি সিলেকশন ডিভাইডারস, ট্যাব, কালার কোডিং অপশন, পেইজ কভার ইত্যাদি ফিচার সহ নানা বিষয় পাবেন। ফলে আপনাকে আর এসব বিষয় নিয়ে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হবে নাহ। 

আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিতে যেসব বিষয় থাকা আবশ্যকঃ

এবাউট পেইজ (About Page) : এই পেইজটিতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন, নাম, ঠিকানা, ছবি ইত্যাদি যোগ করে নিবেন। পাশাপাশি আপনার উদ্দেশ্য, লক্ষ্য কিংবা আগ্রহ ইত্যাদি বিষয়ে বর্ণনা দিবেন। আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বিষয়েরও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উল্লেখ করে দিবেন। এছাড়াও আপনি কোন ধরনের সেবা দিচ্ছেন তা আলাদা করে একটি সেকশনে উল্লেখ করে দিবেন। 

কল টু একশন (Call to Action) : ভিজিটররা যেন আপনাকে খুব সহজেই খুঁজে পায় অর্থাৎ পরবর্তীতে যেন যোগাযোগ করতে পারে সেই ব্যাপারটি বিবেচনায় আনতে হবে। আপনি ফোন নাম্বার কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ করার মাধ্যম এড করে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া আইকন থাকলে ভাল হয়। 

যেসব বিষয় পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে ভুলবেন নাহঃ

রিজিউমঃ আপনার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম, ঠিকানা এবং সেই সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতা রিজিউমে উল্লেখ করে দিবেন। সর্বোপরি, কর্মজীবনের বা কর্মক্ষেত্রের সারাংশ এবং অভিজ্ঞতা সম্পর্কিত তথ্য সম্বলিত একটি রিজিউম পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিতে যোগ করে দিবেন।

দক্ষতার তালিকাঃ আপনার কাজের দক্ষতার একটি তালিকার ঘর রাখবেন। এক্ষেত্রে আপনি কোন কোন বিষয়ে পারদর্শী এবং কতটুকু পারদর্শী এটি উল্লেখ করবেন।  এবং আপনার সফট স্কিল, হার্ড স্কিল ইত্যাদির শ্রেণিবিন্যাস করে দিবেন।

রেফারেন্সঃ আপনি আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিতে রেফারেন্স কন্ট্যাক্ট পেইজও রাখতে পারেন। আপনার পেশাদারীত্ব এবং নৈপুণ্যতা সম্পর্কে পূর্ববর্তী ক্লায়েন্টের অভিমতগুলো এই পেইজে যোগ করে দিবেন। এটি আপনার ভবিষ্যত কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে। 

ডিগ্রি বা সার্টিফিকেশনসঃ রিজিউমের পাশাপশি আপনার প্রাতিষ্ঠানিক ট্রান্সক্রিপ্ট, সার্টিফিকেট এর কপি ইত্যাদি যোগ করে দিবেন। এছাড়াও লাইসেন্স, বিভিন্ন কোর্স, সেমিনার বা প্রতিযোগিতায় প্রাপ্ত সার্টিফিকেটও এর সাথে অন্তর্ভুক্ত করবেন। 

কাজের নমুনাঃ

সর্বশেষ কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হলো আপনার পূর্ববর্তী কাজের স্যাম্পল বা নমুনা খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি একাধিক কাজ করেন তবে ঐ অনুযায়ী পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিকে সাজাবেন। তবে উল্লেখিত সকল বিষয়ের সমন্বয় পেতে হলে নিশ্চিন্তে আপনার রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটি YappoBD থেকে নিতে পারেন। আর আপনার রেডি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটিতে কিন্তু আপনি আপনার নিজের পছন্দমতো পরিবর্তন আনতে পারবেন। আপনার কাজের ধরনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনি বিভিন্ন বিষয় যোগ করতে পারেন। 

পরিশেষে,

পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটি কেনার পূর্বে আপনার লক্ষ্যটাকে নির্ধারণ করুন। আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনার জন্য উপযোগী পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটি বেছে নিন।  YappoBD থেকে আপনার পছন্দসই পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটি নিশ্চিন্তমনে ক্রয় করতে পারেন।  আপনার ভবিষ্যত কাজের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলুন। ধন্যবাদ।

Facebook Comment